অনুযোগ মাখা কান্না আর
সুখ মিশ্রিত দ্রবীভূত হাসিতে যখন
তাকে প্রথম পৃথিবীতে দেখি
এ প্রাণের স্পন্দন অনুভব করি তার মাঝে
দন্তহীন মুখের হাসিতে ঝলকে উঠতো
কমল পুরের ঘাঢ় সবুজে ঢাকা অন্ধকার
যা ছিল আমার বুকের ভেতরের থকথকে কোথাও
তারপর তিন কি সাতে তিনটে আশ্বিনের দিনে
তার কিচিরমিচিরে প্রভাত দেখেছি আমি
সূর্যকে আড়াল করে শরীর চর্চায় তার মেয়েমি
আমি হাসতে দেখেছি প্রতিটি সদস্যকে
বিলুপ্ত আলোকের এক রাতে নিসাড়তা
ছুঁয়ে যেতে চাইলো তাকে অসুখের ভান করে
অসহায় কিশোর আকুতি করেছিল সেদিন স্রষ্টার কাছে
নিওনা প্রাণের স্পন্দন আমার দয়াময়
দিয়ে দাও সবটুকু অনেক দিনের তরে
কিছু তার নিয়ে কিছু যাবে রেখে
আধখানা প্রাণ চলবে মাটি পুতুল নিয়ে
অনুদানটুকু আজ পরিপূর্ণ মানুষ
আমাদের উঠোনে আজো হাসে পূর্ণিমার চাঁদ
জোৎস্নায় আলোকিত হই একটি পূর্ণ পরিবার।
২৫ জুন ২০০৮, মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।
ছবি: নিজস্ব।
লোড হচ্ছে...